যথা ইচ্ছা তথা যা বাংলার জীববৈচিত্রে বিস্মিত হচ্ছি আমরা। মুগ্ধও। এত পাখি আমাদের চারপাশে! এত ধরনের প্রাণী! আপনারাও দেখুন। ১। বড় তিত বা রামগাংরা কী অপূর্ব দেখতে পাখিটা। ক’দিন ধরে ভরদুপুরে লাগাতার ছুটছি কুবো পাখির পিছনে। সে ব্যাটা, বেটিও হতে পারে, আমাকে দেখলেই দুদ্দাড় করে উড়ে পালায়। মন খারাপ হয়। ছুটতে ছুটতে যখন হতাশ ঠিক […]
অন্য সফর
ইতিউতি হাওড়ার জীবজগৎ— পঞ্চম পর্ব
যথা ইচ্ছা তথা যা আরও কিছু ছবি জোগাড় করা গিয়েছে। তাই সেগুলো আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া। ১। গুবরে পোকা আর জাল এখন বিভিন্ন জায়গাতেই ফসল বাঁচাতে জালের ব্যবহার করা হয়। জলাশয়ের মাছ বাঁচাতে জাল। মাঠের ফসল বাঁচাতেও জাল। ফলে পাখি আর প্রাণী উভয়েরই মৃত্যু হয়। সেদিন পাতিহালের মাঠে দেখা গেল, সরষে বাঁচাতে মাঠ জাল […]
পাঁচাল চেতনা লোকসংগ্রহশালা এবং
সনৎকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় পাঁচাল গ্রামে ‘চেতনা লোকসংগ্রহশালা’ নামে একটি সংস্থা আছে। আগ্রহী মানুষেরা একদিন ঘুরে আসতে পারেন। আগে বলে নিই, আগ্রহের আছেটা কী? কারণ আপনাদের মনে এ প্রশ্ন আসতেই পারে। মশাই, সময়ের বড্ড আকাল পড়েছে, আগে বলুন আগ্রহের আছেটা কী? সেই তো! মানুষের আগ্রহের বিষয় বড় বিস্ময়কর। কারও আগ্রহ ঘাসের আগায় শিশিরবিন্দু, তো কারও কারও আগ্রহ […]
শীতবেলায় ফুলের সমুদ্রে
ইন্দ্রজিৎ সাউ সুব্রতর বেড়াতে যাওয়ার পোকাটা মাঝে মাঝেই নড়ে ওঠে। প্রত্যেক সপ্তাহে এক একটা জায়গার সন্ধান করে আর বলে, ‘যাবি?’ এই রকমই এক শুক্রবার ফোন করে বলল, ‘একটা জায়গার সন্ধান পেয়েছি। প্রচুর ফুলের চাষ হয়।’’ শুনেই জায়গাটা আন্দাজ করতে পারছিলাম। ‘যথা ইচ্ছা তথা যা’ আগেই ঘুরে এসেছে। আমাকে বাদ দিয়ে। শোধ নেওয়ার পালা এবার। সুব্রত […]
ইতিউতি হাওড়ার জীবজগৎ— চতুর্থ পর্ব
যথা ইচ্ছা তথা যা বেরনো হয় না নিয়ম করে। ভয়টা এখনও পুরোপুরি কাটেনি। তার উপরে সকলকে একসঙ্গে পাওয়া মুশকিল। দূরের গন্তব্যে যাওয়ার মতো যানবাহন খুব একটা সহজলভ্য নয়। এদিকে ঘরেও থাকা যায় না। বাইরের ডাক নিশির ডাকের মতো অমোঘ। কিছু একটা তো উপায় বার করা জরুরি। হেঁটে হেঁটে আশপাশটা দেখা। একটু কান পাতলেই বোঝা যাবে, […]
ইতিউতি হাওড়ার জীবজগৎ— তৃতীয় পর্ব
যথা ইচ্ছা তথা যা যত দেখছি ততই অবাক হচ্ছি আমরা। বেশিদূর যেতে হচ্ছে না। কাছাকাছি চোখ-কান খোলা রাখলেই ধরা পড়ছে নানা প্রাণী। আজ সেগুলোরই কয়েকটা। ১। কসাই পাখি গিয়েছিলাম আমতায়। সাত হ্রদের খোঁজে। সেখানেই মিলল একটা পাখি। চুপটি করে বসে রয়েছে বাবলা গাছের ডালে। একটু দূরে। আমরা কথা বলছি, হাসছি। কিন্তু পাখির কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। […]
ইতিউতি হাওড়ার জীবজগৎ— দ্বিতীয় পর্ব
যথা ইচ্ছা তথা যা ১। ইস্টিকুটুম বাংলায় বহু পাখির সঙ্গে নানা কিংবদন্তী জড়িয়ে রয়েছে। ইস্টিকুটুম সেরকমই একটি। সারা গা হলুদ, ডানা আর মাথায় কালো রংয়ের পাখিটিকে অনেকে আবার বেনেবউও বলে থাকেন। বাংলার অতি পরিচিত পাখিদের মধ্যে একটি। দুপুরবেলা বা পড়ন্ত বিকেলে পাখিটির ডাক দারুণ লাগে। হাওড়া জেলায় যথেষ্টই দেখা যায়। তবে অনুমান, বছর কুড়ি আগের […]
ইস্টিশন ইস্টিশন— চতুর্থ পর্ব
দীপক দাস জালালসি— মল্লিকদের সেলুন কার সে বহুদিন আগের কথা। তখনও আমাদের ‘যথা ইচ্ছা তথা যা’ গ্রুপ হয়নি। ওয়েবসাইটি তো আরও দূরের কথা। কিন্তু মাঝে মাঝে বাইক নিয়ে বেরোতাম আমরা। একবার বেরিয়েছিলাম আমি আর ইন্দ্র। মাজু পেরিয়ে রাস্তার পাশে একটা বাড়ি দেখে একটু থমকেছিলাম। বাড়ি না বলে প্রাসাদ বলাই ভাল। সেই বাড়ির গঠনরীতিতে চোখ আটকেছিল। […]
ইতিউতি হাওড়ার জীবজগৎ
যথা ইচ্ছা তথা যা ঘুরতে গিয়ে আমরা তেমন জীবজন্তুর সাক্ষাৎ পাইনি। এক জঙ্গলে উড়ন্ত দুধরাজ তার বাহার দেখিয়ে অদৃশ্য হয়েছেন। দল বেঁধে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কুনকি হাতিদের চান করা দেখেছি। একটা শিয়ালের ছুটে যাওয়া। আর একবার প্রকৃতিতে ময়ূরের নাচ। এ ছাড়া এদিক সেদিক নাম না জানা পাখিদের হঠাৎ দর্শন। জঙ্গলে-পাহাড়ে ঘুরি আমরা। কিন্তু প্রাণীরা আমাদের মোটেও […]
ইস্টিশন ইস্টিশন— তৃতীয় পর্ব
দীপক দাস মুন্সিরহাট— আদায় করা স্টেশন প্রাকৃতিক দৃশ্যে সুন্দর মুন্সিরহাট স্টেশনটি। প্ল্যাটফর্মে ওঠার সিঁড়ির উপরে ছাউনি। সিঁড়ির দু’পাশে গাছ আছে বেশ কিছু। স্টেশনে উঠলে এক বিশাল এলাকায় জুড়ে সবুজের সমারোহ। একটু দূরে গাছপালা ঘেরা একটা আশ্রমও রয়েছে। স্টেশনটির সঙ্গে খুব বেশি পরিচয় নেই। কারণ স্টেশনের উপর দিয়ে গিয়েছি বহুবার। কিন্তু নেমেছি মাত্র একবারই। তা-ও রাতে। […]